খুঁজুন
advertisement
advertisement
রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৫ আশ্বিন, ১৪৩৩

অভয়নগরে গণধোলাইয়ের পর গাঁজাসহ ২ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার, পিকআপ জব্দ

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৪:১৮ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
অভয়নগরে গণধোলাইয়ের পর গাঁজাসহ ২ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার, পিকআপ জব্দ

ছবিতে মাদক কারবারিরা

মেহেদী হাসান রিপন | যশোর প্রতিবেদকদদ :

যশোরের অভয়নগরে পিকআপে মাদক পরিবহনের সময় স্থানীয় বাসিন্দাদের গণধোলাইয়ের শিকার হয়েছেন দুই সন্দেহভাজন মাদক কারবারি। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে তাদের উদ্ধার এবং ব্যবহৃত পিকআপ থেকে ১ কেজি ৪০০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করেছে।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন—উপজেলার তালতলা গ্রামের মাহমুদ মোল্যার ছেলে শারাফাত মোল্যা এবং নাউলী গ্রামের মনির আজুঞ্জির ছেলে তারিকুল শেখ।

পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, নওয়াপাড়া রেলওয়ে স্টেশন এলাকায় একটি পিকআপভ্যান নিয়ে সন্দেহজনকভাবে চক্কর দিচ্ছিলেন ওই দুই ব্যক্তি। তাদের চলাফেরা ও অস্বাভাবিক আচরণ দেখে স্থানীয় লোকজনের সন্দেহ হয়। একপর্যায়ে উপস্থিত জনতা তাদের গাড়িটি থামিয়ে দুজনকে আটক করে উত্তম-মধ্যম দেয়। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে স্টেশন এলাকায় সাময়িক উত্তেজনা ও চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।

খবর পাওয়ার পরপরই অভয়নগর থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে ক্ষুব্ধ জনতার হাত থেকে ওই দুজনকে উদ্ধার করে নিজেদের হেফাজতে নেয়। পরবর্তীতে তাদের সাথে থাকা পিকআপটিতে তল্লাশি চালিয়ে সুকৌশলে লুকানো ১ কেজি ৪০০ গ্রাম গাঁজা জব্দ করা হয়।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে অভয়নগর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. নুরুজ্জামান জানান, সন্দেহজনকভাবে ঘোরাঘুরির সময় স্থানীয়রা ওই দুজনকে ধরে পুলিশে খবর দেয়। পুলিশ তাদের উদ্ধার করার পাশাপাশি গাড়ি থেকে গাঁজা উদ্ধার করেছে। তাদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়েরসহ আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।

সাভারে ইউপি প্রশাসকের বিরুদ্ধে ঘুষসহ নানা অভিযোগ

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৪:০৭ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
সাভারে ইউপি প্রশাসকের বিরুদ্ধে ঘুষসহ নানা অভিযোগ
নিজস্ব প্রতিবেদক :

ঢাকার সাভার উপজেলার ইয়ারপুর ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসক সেলিম রেজাকে ঘিরে ঘুষ গ্রহণ, নাগরিক সেবায় অতিরিক্ত অর্থ আদায় এবং একই সময়ে অন্য একটি সরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করার অভিযোগ উঠেছে। এসব অভিযোগ নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে নানা প্রশ্ন তৈরি হয়েছে।

অভিযোগের মধ্যে সবচেয়ে বেশি আলোচনায় এসেছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ছবি। ছবিতে ইউনিয়ন পরিষদের কার্যালয়ে বসে সেলিম রেজাকে টাকা গুনতে দেখা যায় বলে দাবি করা হচ্ছে। তবে ছবিতে থাকা অর্থ ঘুষের টাকা কি না, তা স্বাধীনভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। বিষয়টি তদন্তের মাধ্যমে যাচাই করা প্রয়োজন।

স্থানীয় সূত্র ও একটি প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, সেলিম রেজা উপজেলা পল্লী সঞ্চয় ব্যাংকের একজন কর্মকর্তা। অভিযোগ রয়েছে, ইয়ারপুর ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসকের দায়িত্ব নেওয়ার পর তিনি তার মূল কর্মস্থলে নিয়মিত সময় দিচ্ছেন না। এতে ইউনিয়ন পরিষদের সেবাগ্রহীতার পাশাপাশি ব্যাংকের গ্রাহকরাও ভোগান্তিতে পড়ছেন বলে অভিযোগ করেছেন স্থানীয়রা।

এদিকে জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন, নাগরিক ও ওয়ারিশ সনদ, ট্রেড লাইসেন্সসহ বিভিন্ন নাগরিক সেবা নিতে সরকারি নির্ধারিত ফির বাইরে অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের অভিযোগও উঠেছে। স্থানীয় কয়েকজন সেবাগ্রহীতার দাবি, অতিরিক্ত টাকা দিতে না চাইলে তাদের দিনের পর দিন ঘোরানো হয়।

জামগড় এলাকার কয়েকজন ব্যবসায়ী স্থানীয় একটি প্রতিবেদনে অভিযোগ করেন, আগে কয়েকশ টাকায় ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন করা গেলেও বর্তমানে কয়েক হাজার টাকা নেওয়া হচ্ছে। তবে রশিদে দেখানো হচ্ছে তুলনামূলক কম টাকা। এসব অভিযোগের সত্যতা সংশ্লিষ্ট নথি, রশিদ ও আর্থিক লেনদেন যাচাইয়ের মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া প্রয়োজন।

ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা আফজাল হোসেন এবং আউটসোর্সিংয়ের মাধ্যমে দায়িত্ব পালনকারী এক অ্যাসেট নির্ধারককে ঘিরেও বিভিন্ন অভিযোগ সামনে এসেছে। শিল্পকারখানার আয়তন কম দেখিয়ে সরকারি কর কম নির্ধারণ, বিভিন্ন সেবায় অতিরিক্ত অর্থ আদায় এবং কথিত দালালদের মাধ্যমে সেবা দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে।

এছাড়া ইউনিয়ন পরিষদের আয়-ব্যয়, সরকারি বরাদ্দ, প্রকল্পের অর্থ, ব্যাংক হিসাব ও ভাউচার নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন স্থানীয়রা। তাদের দাবি, এসব নথি স্বাধীনভাবে পরীক্ষা করা হলে অভিযোগগুলোর সত্যতা বা অসত্যতা স্পষ্ট হতে পারে।

অভিযোগের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো—একজন সরকারি কর্মচারী একই সময়ে কীভাবে ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসকের দায়িত্ব এবং পল্লী সঞ্চয় ব্যাংকের চাকরি করছেন। তার নিয়োগ বা অতিরিক্ত দায়িত্ব পালনের অনুমোদন, দায়িত্ব পালনের সময়সূচি এবং মূল কর্মস্থলে উপস্থিতির রেকর্ড যাচাইয়ের দাবি উঠেছে।
তবে অভিযোগ উঠলেই কাউকে দুর্নীতিবাজ হিসেবে চিহ্নিত করা যায় না। অভিযোগগুলোর সত্যতা নির্ধারণে প্রয়োজন সংশ্লিষ্ট নথি যাচাই ও নিরপেক্ষ তদন্ত।

এ বিষয়ে তদন্তের জন্য ইউনিয়ন পরিষদের আয়-ব্যয়ের হিসাব, সেবা প্রদানের রেজিস্টার, ট্রেড লাইসেন্সের রেকর্ড, কর নির্ধারণের নথি, ব্যাংকে উপস্থিতির রেকর্ড এবং অভিযোগ সংশ্লিষ্ট আর্থিক লেনদেন পর্যালোচনার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে সেলিম রেজার বক্তব্য জানতে যোগাযোগ করা হলে তিনি পরে কথা বলবেন বলে জানান। অন্যদিকে সাভার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়েছেন বলে ওই প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

এখন অভিযোগগুলো আনুষ্ঠানিক তদন্তের আওতায় আসে কি না এবং তদন্তে কী তথ্য বেরিয়ে আসে—সেদিকেই নজর স্থানীয়দের।

যোগফল অনলাইন 

গোপালগঞ্জে জামিনে বেরিয়ে ‘ধর্ষণ মামলা’ তুলে নিতে বাদীকে হুমকি

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৪:১৭ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
গোপালগঞ্জে জামিনে বেরিয়ে ‘ধর্ষণ মামলা’ তুলে নিতে বাদীকে হুমকি
সাইফুল ইসলাম | গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি :

গোপালগঞ্জের কাশিয়ানীতে ধর্ষণ মামলায় কারাগারে থাকা আসামি জামিনে বেরিয়ে মামলা তুলে নিতে বাদীকে হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। 

এতে বাদী ও তার পরিবারের সদস্যরা চরম নিরাপত্তহীনতায় ভূগছে। কাশিয়ানী উপজেলার হাতিয়াড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। আসামি একই গ্রামের হারান বিশ্বাসের ছেলে বাবলু বিশ্বাস ।  

এ ঘটনায় মামলার আসামি ও তার সহযোগি সোহেল শেখ, অংশু বিশ্বাস এবং সুধাংশ বিশ্বাসের বিরুদ্ধে থানায় একটি অভিযোগ করেছেন মামলার বাদী।

মামলা ও অভিযোগ সুত্রে জানা গেছে, ২০২৫ সালের ৬ আগস্ট উপজেলার হাতিয়াড়া উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির এক ছাত্রীকে শ্রেণিকক্ষে ধর্ষণ করে একই প্রতিষ্ঠানের দপ্তরী বাবলু  বিশ্বাস । এতে ওই ছাত্রী অন্তসত্ত্বা হয়ে পড়লে বিষয়টি জানতে পারেন ভুক্তভোগী পরিবারের লোকজন। এ ঘটনায় শিক্ষার্থীর বাবা বাদী হয়ে আদালতে মামলা করেন। 

কাশিয়ানী থানা মামলাটি নথিভুক্ত করে এবং পুলিশ ঘটনার বিষয়টি তদন্ত করে আদালতে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করে। তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের পর আদালত অভিযুক্ত বাবলু বিশ্বাসের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন। 

পরবর্তীতে পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে কারাগারে পাঠায়।

বাদীপক্ষের অভিযোগ, আসামী বাবলু বিশ্বাস কারাগার থেকে জামিনে বেরিয়ে এসে নিজে এবং লোকজন দিয়ে মামলা তুলে নেওয়ার জন্য বাদীকে বিভিন্নভাবে হুমকি দিচ্ছে। 

মামলা প্রত্যাহার না করলে বাদী ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের ক্ষতি করার ভয় দেখানো হচ্ছে। এমনকি তার ৫ বছর বয়সি শিশু সন্তানকে অপহরণেরও হুমকি দেওয়া হচ্ছে। এতে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন বাদী ও তার পরিবার। 

একই সঙ্গে মামলার বিচারপ্রক্রিয়া যাতে কোনোভাবে প্রভাবিত না হয়, সে জন্য প্রশাসনের হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন ভুক্তভোগীরা।

মামলার বাদী বলেন, ‘আমার মেয়ের সঙ্গে ঘটে যাওয়া ঘটনার বিচার পাওয়ার আশায় আদালতের দ্বারস্থ হয়েছি। কিন্তু আসামি জামিনে বেরিয়ে এসে এখন মামলা তুলে নিতে হুমকি দিচ্ছে। আমার ছেলেকে অপহরণের হুমকি দিচ্ছে। আমরা আতঙ্কের মধ্যে আছি। প্রশাসনের কাছে নিরাপত্তা চাই।’

এ বিষয় অভিযুক্ত বাবলু বিশ্বাসের মুঠোফোন বন্ধ পাওয়া যায়। তবে তার সহযোগি সোহেল শেখ হুমকি দেওয়ার বিষয়টি অস্বীকার করে বলেন, ‘আমি ডেঙ্গু জ¦রে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি ছিলাম। আমার বিরুদ্ধে সম্পূর্ণ মিথ্যা অভিযোগ করেছেন।’ 

কাশিয়ানী থানার ওসি মুহাম্মদ মাহফুজুর রহমান বলেন, ‘ভুক্তভোগীর লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত শুরু পরবর্তী আইনী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

অনলাইন ডেস্ক 

স্ত্রী-সন্তানকে হত্যার পর ফ্যানের সঙ্গে ঝুললেন স্বামী

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:১২ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ

প্রতীকী ছবি

যোগফল প্রতিবেদক | মানিকগঞ্জ :

এক ঘরে নিথর পড়ে আছে স্ত্রী ও দেড় বছরের শিশুসন্তানের মরদেহ। আর একই ঘরের ফ্যানের সঙ্গে ঝুলছিল স্বামী ইকরাম হোসেনের মরদেহ।

মুহূর্তেই একটি পরিবারের সব আলো নিভে গেল। মানিকগঞ্জ সদর উপজেলার কৃষ্ণপুর ইউনিয়নের জান্নাকান্দি গ্রামে শনিবার দুপুরে একই পরিবারের তিনজনের মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় এলাকায় নেমে এসেছে শোক ছায়া। 

মৃতদের মধ্যে গৃহকর্তা আকরাম নিজে। অন্য হলেন আকরামের স্ত্রী প্রিয়াঙ্কা আক্তার (২৪) ও তাদের মেয়ে আলিজা আক্তার। পুলিশের প্রাথমিক ধারণা, স্ত্রী ও সন্তানকে হত্যার পর ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন ইকরাম।

তবে কী কারণে এমন ভয়াবহ পথ বেছে নিলো এই পরিবার, তার কোনো উত্তর এখনো মেলেনি। পারিবারিক কলহ, আর্থিক সংকট কিংবা অন্য কোনো কারণ ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, জান্নাকান্দি গ্রামের ইকরাম হোসেন কিছুদিন আগে বিদেশ থেকে দেশে ফেরেন। শনিবার দুপুরে তার বাড়ির ঘরের ভেতর স্ত্রী ও দেড় বছরের সন্তানকে মৃত অবস্থায় পাওয়া যায়। পাশেই ফ্যানের সঙ্গে গলায় ফাঁস দেওয়া অবস্থায় পাওয়া যায় ইকরামের মরদেহ। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তিনজনের মরদেহ উদ্ধার করে।

স্থানীয়দের ভাষ্য, বিদেশ থেকে ফেরার পর ইকরাম পরিবারের সঙ্গেই ছিলেন। তার সঙ্গে স্ত্রী বা পরিবারের সদস্যদের কোনো বিরোধ কিংবা পারিবারিক কলহ চলছিল কি না, সে বিষয়ে নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। 

ফলে হঠাৎ একই পরিবারের তিনজনের এমন মৃত্যুতে নানা প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে এলাকায়। ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়তেই জান্নাকান্দি গ্রামের ওই বাড়িতে ভিড় করেন স্থানীয়রা। স্বজনদের আহাজারিতে ভারী হয়ে ওঠে পরিবেশ। একসঙ্গে তিনজনের মৃত্যুতে হতবাক এলাকাবাসী।

মানিকগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনির হোসেন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, মরদেহগুলো উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে। ঘটনাটি কীভাবে এবং কেন ঘটেছে, তা তদন্তের পরই নিশ্চিত হওয়া যাবে।

অনলাইন ডেস্ক